কে হতে যাচ্ছেন পরবর্তি বিল গেটস বা স্টিভ জবস

সেপ্টেম্বর ২০১৪ তে বিল গেটস এর অর্থমূল্য ছিল ৮১ বিলিয়ন ডলার। ২০১০ সালে স্টিভ জবস ছিলেন ৮.৩ বিলিয়ন ডলার মালিক। দুই বিখ্যাত ব্যক্তিই অঢেল অর্থ জমিয়েছেন। কিন্তু খুব সহজে তা পেরেছেন বলা যাবে না। বিচক্ষণ চিন্তাশক্তিকে কাজে লাগিয়েছেন এবং প্রযুক্তি বিশ্বকে বদলে দিয়েছেন।

এমন আরও অনেক দীপ্তিমান ব্যক্তি ঠিক একই পথে হাটছেন। বছরের পর বছর। শুধু ধনী নয়, ঐক্যনাশক চিন্তাশক্তি সম্পন্নও বটে এমন ব্যাক্তিদের একটি তালিকা তৈরি করেছে বিজন্যাস ডটকম।

এলিজাবেথ হোমস

গেটস এবং জবস এর মতো এলিজাবেথ হোমস একজন স্বনির্মিত বিলিয়নিয়ার। বস্তত, ৩০ বছর বয়সে ৪.৫ বিলিয়ন ডলারের মালিক এবং সর্বকনিষ্ঠ মহিলা বিলিয়নিয়ারের তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে নিয়েছেন। স্টানফোর্ড থেকে ১৯ বছর বয়সে ড্রপড আউট হন এবং টিউশন টাকা দিয়ে পালো-অলটোতে রক্ত পরীক্ষা সেবা নিয়ে কোম্পানি (থেরানোস) শুরু করেন। তার আবিষ্কৃত প্রযুক্তি ল্যাবরেটরি-ডায়াগনোস্টিক শিল্পকে বদলে দিয়েছে এবং রক্তমোক্ষমবিদ চিকিৎসকদেরকে শুধু এক ফুটা রক্ত নিয়ে ৭০ টি পরীক্ষা চালানোতে সহায়তা করছে। কারও সাথে মিলে যাচ্ছে মনে হচ্ছে? হোমস এখন স্টিভ জবস এর অর্ধ সমান সম্পদের মালিক।

আলেক্সা ভোন টোবেল

হোমস এর মতো, আলেক্সা ভোন টোবেলও স্কুল (হার্ভার্ড বিজন্যাস) থেকে ড্রপড আউট হন নিজেকে কনিষ্ঠ সিইও প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে। তিনিও ফিন্যান্সিয়াল ইন্ডাস্ট্রিকে বদলে দেয়ার যুদ্ধে নেমেছেন। ফিন্যান্সিয়াল ইনসাইট এ্যানালাইসিসকে বাদ দেয়ার পরিবর্তে, সফল হয়েছেন সহজলভ্যতা ও ক্রয়ক্ষমতায় নিয়ে আসার মাধ্যমে। ২৯ বছর বয়সে আলেক্সা লার্নভেস্ট এর প্রতিষ্ঠতা ও সিইও। প্রতিষ্ঠানটি অনলাইনে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বিষয়ক সহায়তা দিয়ে থাকে। স্টিভ জবস ও বিল গেটস এর মতো, তিনিও এমন কিছু করছেন যা আগে কেউ আবিষ্কার করতে পারে নি।

ত্রাবিস কালানিক এবং গ্যারেট ক্যাম্প

এই দুই ব্যাক্তি চূ্র্ণ করেছেন একচেটিয়া ট্যাক্সি ব্যবসায়কে। আশা করা যায়, সবাই এ্যাপ-নির্ভর পরিবহন কোম্পানি ইউবার এর নাম শুনেছেন। মাত্র পাচ বছরে, কালানিক এবং ক্যাম্প ৫৩ টি দেশে পরিবহন সেবা দিচ্ছেন। করপোরেশনটির এখন ৪০ বিলিয়ন ডলারেরও অধিক মূলধন রয়েছে। সম্প্রতি সেবার বিপরীতে বেশি চার্জ নেয়ায় সমালোচনার মুখে পরে। তবে, তাদের ভবিষ্যত উজ্জল। এখন তারা পরিকল্পনা করছেন, সেবার পরিধি বাড়ানোর যা অন্তর্ভুক্ত করবে এক মিলিয়ন গাড়ি পরিবহন সেবায় নিয়োজিত করা।

বিলি হোওয়াইটহাউজ

বিলিকে ২৭ বছর বয়সে, “ফিমেইল এলন মাস্ক অব ফ্যাশন” উপাধিতে ভুষিত করা হয়। কেন? প্রতিষ্ঠা করেন ওয়ারেবল এক্সপেরিমেন্ট, একটি ফ্যাশন রিটেইলিং কোম্পানি যা সবচেয়ে সমসাময়িক পরিধানযোগ্য প্রযুক্তি বাজারজাত করে থাকে।  শোনা যায়, তৈরি করেছিলেন কম্পনযুক্ত আন্ডার গার্মেন্টস এবং এ্যাথলেটিক শার্ট যা খেলার সময় সম্পর্কে সচেতন বার্তা দিত।

ইভান স্পিইজেল

তরুন বিলিয়নিয়ার এবং উজ্জল বিচক্ষণ ব্যাক্তিদের তালিকার প্রথম দিকে রয়েছেন ইভান, যিনি মাত্র ২৪ বছর বয়সে বিলিয়নিয়ার ক্লাবে কড়া নাড়ছেন। ধন্যবাদ, ছোট এ্যাপ স্ন্যাপচ্যাট। স্ট্যানফোর্ড থেকে বেড়িয়েই মনোনিবেশ করেন পণ্য তৈরিতে, ইভান এখন ১০ বিলিয়ন ডলার মূল্যমানের কোম্পানির সিইও। নিজের কোম্পানিতে সম্প্রতি নিয়োগ দিয়েছেন ইনস্টাগ্রামের এমিলি হোওয়াইট এবং পেপাল এর প্রেসিডেন্ট ডেভিড মারকাসকে। স্ন্যাপক্যাশ এর বাজারজাতকরনের মধ্য দিয়ে কোম্পানিটি বেড়ে উঠবে।

Spread the love

Comments

comments

Leave a Reply