নতুন উদ্যোক্তাদের অহং (ইগো) নিয়ন্ত্রন করার পাচটি উপায়

Always-Remember-Too-Much-Ego-Will-Kill-Your-Talentসম্পাদকের নোট: কলেজ ট্রেপ হলো একটি সপ্তাহিক কলাম যা কলেজগামী নতুন উদ্যোক্তাদের উপর স্পটলাইট ফেলে তাদের উপর গবেষনা করে, যেহেতু তারা এখনও কলেজ/স্কুলে যায় এবং কঠিন সময় অতিবাহিত করে।

আমার প্রফেসর, মেন্টরস এবং অভিভাবকগন বলেন, তোমার মনে যা সেট করবে, তুমি তাই করতে পারবে এবং কাউকে তোমার পথ আগলে ধরতে দিও না। যেহেতু এই বাক্যগুলো আমাকে সহযোগিতা করে এবং আমার সহকর্মীদেরকে তারকা ধরতে সাহায্য করে, তাই এগুলোকে মাথার উপর দিয়ে চলে যেতে দেয়া যাবে না।

ইগোকে চেক এ রাখার পাচটি টিপস নিচে দেয়া হলো:

১) কখন অনুসরন করতে হবে আর কখন নেতৃত্ব দিতে হবে তা জানুন

যাদের নতুন উদ্যোক্তার মাইন্ডসেট নেই তাদের সাথে একযোগ হওয়াটা্ একটু কঠিন হয়ে দাড়াবে। ৩৬০ ডিগ্রী দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে তাদের প্রতি মনোযোগ দিতে হবে এবং এর ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং কাজ করার পরিবেশ সুন্দর হতে পারে। গঠনমূলক সমালোচনা করা এবং গ্রহন করার সময় এই বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি নিজে মনে করি আমি এখনও স্কুলে যাওয়া আসা করি এবং এখনও পৃথিবীর কর্মকান্ড সম্পর্কে শিখছি। যদি কারও কোন আইডিয়া থাকে তবে, ১০০% মনোযোগ দিয়ে তার কথা শুনতে হবে।

২) স্বাস্থ্যসম্মত ও ধ্বংসমূলক ইগোর পার্থক্য জানুন

আত্ন-বিশ্বাসী এবং ইগোইস্টিক আচরনের মধ্যে পার্থক্য দেখানোর মতো সুন্দর লাইন রয়েছে। আমি খুজে পেয়েছি যে কোন কিছু অর্জনের ভিতর গর্ব বোধ করলে তাতে দোষের কিছু নয়। কিন্তু একই সময়ে এই অর্জনের জন্য বিনয়ীও হতে হবে। সোসাল মিডিয়াতেও আপনি কেমন ব্যবহার করছেন তা নজরে রাখতে হবে।

৩) নেতৃত্ব দানের বই পড়ুন

অভিজ্ঞ উদ্যোক্তাদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার কথা কি আপনি জানতে চান না? সিইও বা ম্যানেজাররা কিভাবে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখিন হয়েছে, কিভাবে তা মোকাবেলা করেছে এগুলো পড়ার মাধ্যমে আপনি আগে থেকে সচেতন হতে পারবেন। এসব মূল্যবান তথ্য প্রিন্ট করা থাকলে আপনার জন্য বড় একটি সম্পদ হবে। এখন আমি পড়ছি: Jim McGraw এর লেখা Skills for Success

৪) নমনীয় হোন

যেহেতু মিলেনিয়াম যুগে বসবাস করছি, আমরা ভবিষ্যত নিয়ে স্বপ্ন দেখি এবং কিভাবে তা অর্জন করা যায় সে চেষ্টায় থাকি। কোথায় ছিলাম এবং কোথায় আছি তার মধ্যে সামঞ্জস্যপূর্ন থাকা খুব কঠিন হয়ে দাড়াতে পারে। ইযোগা, মেডিটেশন, ব্যায়াম এবং গান শোনা আমাকে কাজের গভীরে নিতে কাজ করে। আপনি যেই হন না কেন, যেখান থেকেই আসেন না কেন, এগুলো আপনাকে অতীতের কথা এবং চলার পথে কারা আপনাকে সহযোগিতা করেছে তা স্মরণ করিয়ে দেবে।

৫) অবৈতনিক বা ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করুন

ভলান্টিয়ারিং আপনাকে নমনীয় হতে সহযোগিতা করবে, এমনকি তা এক মাসের হলেও। বৃদ্ধাশ্রম, এতিমখানা, প্রতিবন্ধিদের প্রতিষ্ঠান, কোন ক্যাম্প বা স্থানীয় চ্যারিটি ইভেন্টও হতে পারে, আপনার জীবনাচরন পরিবর্তন করে দেবে।

লেখক: Michael Cauble

Spread the love

Comments

comments

Leave a Reply