চমৎকার নতুন ব্যবসা ধারনা আছে, তো এখন কী করবেন?

অসংখ্য উদ্যোক্তার অসাধারণ নতুন ব্যবসা ধারনা আছে, কিন্তু খুব অল্প সংখ্যক উদ্যোক্তাই তা বাস্তবে সফল রুপ দিতে পারে। এখনও পর্যন্ত সম্পাদন বা এক্সিকিউশনই হচ্ছে সফল ব্যবসায় শুরুর চাবিকাঠি। ঘাতক আইডিয়া নিয়ে ভাগ্যবান হয়ে থাকলে, কিছু কাজ করতে পারেন।

আইডিয়া কর্য্যকর করুন: এটিই সম্ভবত ব্যবসায় শুরুর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই আইডিয়া বা প্রজেক্টের উপর বছরের পর বছর কাজ করবেন। এমনকি আইডিয়াকে পণ্যে রুপদানের আগে আবার ভাবুন এবং এর গ্রহনযোগ্যতা যাচাই করুন। আইডিয়াটি কতোটুকু ইউনিক? সত্যিই কি এটি কোন সমস্যার সমাধান করছে? সময় এবং টাকা বিনিয়োগের আগে উত্তেজিত না হয়ে ভাবুন ভোক্তা/ক্রেতাদের কাছে নতুন ব্যবসা ধারনা টির কতোটুকু প্রয়োজন আছে। এর জন্য আশেপাশের লোকদের সাথে শেয়ার করুন এবং তাদের ফিডব্যাক নিন। শুধু বন্ধু ও পরিবারের সাথে নয়, কারন তারা অবশ্যই আপনার আইডিয়ার পক্ষে বলবে। তার পরিবর্তে, এমন কাউকে বের করুন যারা মতামত দিতে সৎ বক্তব্য দিবে এবং ভুল ধরিয়ে দিবে।

হোমওয়ার্ক করুন: আসলেই আপনার পন্যের মার্কেট চাহিদা আছে কিনা বের করুন। টার্গেট মার্কেট কতো বড় নির্ধারন করুন। যে মার্কেটে পন্য ছাড়বেন, তা কত বড় তার উপর নির্ভর করে ব্যবসায়ের বেড়ে উঠা। সুযোগ সুবিধাকে অতিমূল্যায়ন বা অবমূল্যায়ন কোনটিই করবেন না।

উত্তম কর্মী নিয়োগ দিন: প্রাথমিক নিয়োগে কোন প্রকার আপোষ করবেন না। নতুন পণ্যের জন্য কাজ করতে পারবে এমন ব্যক্তি নির্বাচন করুন। সফলতা নির্ভর করে সঠিক ব্যক্তি নিয়োগের মাধ্যমে। এমনকি আপনার চেয়ে অধিক যোগ্যতা সম্পন্ন হলেও ভয় করবেন না।

বাজারজাতকরনে লেগে যান যত তারাতারি সম্ভব: গবেষনার পর স্যাম্পল তৈরি এবং পরীক্ষা শেষ হয়ে গেলে, বাজারজাতকরন করতে ইতস্তত বোধ করবেন না। বড় ভুল হলো বাজারজাতকরনের জন্য উপযুক্ত পণ্য তৈরির অপেক্ষা করা।

অতঃপর ক্রেতার ফিডব্যাক নিন। তাদের মন্তব্য পণ্যকে উপযুক্ত আকার দিতে সহযোগিতা করবে। দুর্বল দিকগুলো যতো দ্রুত সমাধান করতে পারবেন ততো দ্রুত ক্রেতার কাছে যেতে পারবেন।

Spread the love

Comments

comments

Leave a Reply