ই-কমার্স এ সোস্যাল মিডিয়াকে আরও কার্যকর করা যায় কিভাবে

এখনও অনেক ব্র্যান্ডই সামাজিক যোগযোগের সাইটগুলোকে কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে ভুল করে থাকে। হরহামেশাই ভুলগুলোর মধ্যে যে ভুলটি করে তা হলো- তারা মনে করে ফেসবুক, টুইটার বা ইউটিউব এ একটি একাউন্ট খুলে উপস্থিতি জানান দিতে পারলেই কাজ শেষ। এবং এতেই তারা কাস্টমারকে আকৃষ্ট করতে পারবে। এটা অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে, সামাজিক যোগাযোগের সাইটে নেটওয়ার্কিং মানেই হলো সামাজিকতা চালিয়ে যাওয়া। সামাজিক মাধ্যমের প্রধান উপকারিতাই হলো কোম্পানিকে ছড়িয়ে দেয়ার মাধ্যমে কাস্টমারের শপিং অভিজ্ঞতাকে প্রসারিত করা।

সামাজিক মাধ্যমকে অর্থায়নে রুপ দেওয়া

মার্কেটিং স্ট্র্যাটিজিতে যদি সামাজিক অংশগ্রহন না বাড়িয়ে থাকেন, তবে এখনই উপযুক্ত সময়। আপনার ওয়েবসাইটকে ছড়িয়ে দিতে সামাজিক মাধ্যমগুলোর বাটন যুক্ত করুন। পন্যের সংশ্লিষ্ট পেইজেও বাটনগুলো কৌশলে যুক্ত করে নিন যাতে পছন্দের ক্রয়কৃত পন্য বন্ধু ও পরিচিত সমাজকে জানিয়ে দিতে পারে। ই-কমার্সে ব্রিক-এন্ড-মর্টার কমার্স থেকে বেশি পার্থক্য নেই। শুধুমাত্র বিশ্বাস ধরে রাখাটা প্রধান। অন্যদিকে কাস্টমার রিভিউ যুক্ত করাটাও গুরুত্বপূর্ণ। মার্কেটিং ল্যান্ড রিপোর্ট দেখায় যে, ৯০ শতাংশ রেসপন্ডেন্ট ইতিবাচক রিভিউ দেখে পণ্য ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেন।

সামাজিক মাধ্যম নেটওয়ার্ক নির্বাচন

কোনটি বেশি ভালো, সব ধরনের সামাজিক মাধ্যমে প্রচার চালানো, নাকি অল্প কয়েকটা? যখন কিছু ব্র্যান্ড চওড়া পরিসরে প্রচারনা চালাতে চায়, তাদের হাতে খুব কমই সময় থাকে এর পিছনে বিনিয়োগ করার জন্য। এক্ষেত্রে, অল্প কয়েকটা মাধ্যমকে ব্যবহার করলেই ভালো হয়। মূল চালিকাশক্তি হলো কাস্টমার ও পণ্যের সংশ্লিষ্টতা। যেমন- টার্গেট কাস্টমার যদি হয় ২৫ থেকে ৫০ বছর বয়সের মহিলা, তখন পিন্টারেস্ট নির্বাচন করা শ্রেয়। আবার ব্যবসায় ‍যদি হয় বি-টু-বি তখন লিংকডইন বাছায় করা হবে প্রাসংগিক নির্বাচন। বিস্তৃত পরিমানে কার্টমার আকৃষ্ট করতে ফেসবুক হবে কৌশলগত নির্বাচন। ভেনচার বিট এর মতে, বর্তমান ব্যবহারকারী এক বিলিয়ন।

অন্যান্য মার্কেটিং স্ট্র্যাটিজির সাথে সামাজিক মাধ্যমের একত্রিকরণ

প্রচলিত ধারনা রয়েছে যে, অন্য মার্কেটিং কর্মকান্ড সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং থেকে আলাদা। সর্বোত্তম ফলাফলের জন্য, বাকি মার্কেটিং পন্থার সাথে সামাজিক মাধ্যমকে যুক্ত করতে হবে, এমনকি ইমেইলও। উদাহরনস্বরুপ: ফলোওয়ারদেরকে উৎসাহ দিতে পারেন ইমেইল লিস্টকে সাবস্ক্রাইব করতে যেন সর্বোচ্চ আপডেট থাকা যায়। যেহেতু সামাজিক মাধ্যমগুলো স্বাভাবিক জীবনের একটি অত্যাবশ্যক উপাদান, তাই সফলতা অর্জনে এই মাধ্যমগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করবে।

Spread the love

Comments

comments

Leave a Reply